গণমানুষের সাথে
পোর্টাল: gonabarta.com | প্রিন্টের সময়: ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
ঢাকামঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ভিডিওলাইভ টিভিলাইভOpen sidebarরাজনীতি
১৫ মিনিট আগেমুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।জানা গেছে, গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ইশরাক হোসেন তাঁর লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছিল এবং রাষ্ট্রপতি তা গ্রহণ করেন।
এর আগে, সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিজ পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন। পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আত্মরক্ষার স্বার্থেই তিনি সাময়িকভাবে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন এবং এতে তিনি কোনো ধরনের আইন লঙ্ঘন করেননি। তবে দলের সার্বিক ভাবমূর্তি ও সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখার বৃহত্তর স্বার্থেই তিনি স্বেচ্ছায় প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের অধীনে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ইশরাক। তবে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেও মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থান ও কার্যক্রম কোনোভাবেই বন্ধ হবে না বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, এখন থেকে দলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবেই তিনি মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর এই ধারাবাহিক সংগ্রাম অব্যাহত রাখবেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে প্রকাশ্যে ‘মাদকবিরোধী অভিযান’ পরিচালনা করতে গিয়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেন এই সংসদ সদস্য। জনসমক্ষে অস্ত্র হাতে তাঁর সেই অভিযানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া, অসন্তোষ ও সমালোচনার ঝড় ওঠে, যার চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে হলো।